আসাম গরম আর্দ্র তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়ে ভারতের আবহাবিভাগ (IMD) সতর্কবার্তা জারি করেছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, আগামী ৪৮ ঘন্টা ধরে রাজ্যের বেশিরভাগ এলাকায় তাপ ও আর্দ্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। ২ জুন ২০২৬ থেকে এই সতর্কবার্তা কার্যকর, যা বুধবার পর্যন্ত প্রযোজ্য। IMD-এর ঘোষণা অনুযায়ী, এই তাপসংকেত জনস্বাস্থ্য ও শ্রমিকদের দৈনন্দিন কাজের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
“আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে আসামের প্রায় সব এলাকায় উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা দেখা যাবে। এই সময়ে তাপমাত্রা ৩৫°C থেকে ৪০°C এর মধ্যে থাকবে এবং আর্দ্রতা ৭০% থেকে ৮৫% পর্যন্ত হতে পারে।” এই উচ্চ আর্দ্রতায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে, যা গরমবিরোধী রোগ ও শরীরীক্ষার ঝুঁকি বাড়ায়।
IMD তাপসংকেত ও তাপমাত্রার বিস্তারিত তথ্য
আসাম গরম আর্দ্র তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই সতর্কবার্তা IMD-র আবহাওয়া বিভাগ থেকে প্রকাশিত। মেটালাল এর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “গরম ও আর্দ্র পরিবেশে মানুষের শরীরে তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়। বিশেষ করে বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হতে পারে।” IMD-র তথ্য অনুযায়ী, গুয়াহাটি, দিবোগড়, জোরহাট, শিলচর ও কাটিগড়ায় তাপমাত্রা ৩৮°C-৪০°C পর্যন্ত হতে পারে।
আর্দ্রতার পরিমাণ সামনের ৪৮ ঘণ্টায় ৭০%-৮৫% পর্যন্ত থাকবে, যা সাধারণ পরিবেশের চেয়ে অনেক বেশি। এই উচ্চ আর্দ্রতায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। IMD-র তথ্য অনুযায়ী, গরম ও আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘ সময় বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। IMD-র আবহাবিভাগের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই সময়ে মানুষের শরীরে তাপবিরোধী রোগ, শরীরীক্ষা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বাড়বে।”
হাইলাকান্দি ও লালা টাউনের প্রভাব
আসাম গরম আর্দ্র তাপমাত্রা বৃদ্ধি হাইলাকান্দি ও লালা টাউনের যুবক ও শ্রমিকদের জন্যও প্রভাব ফেলবে। IMD-র তথ্য অনুযায়ী, হাইলাকান্দি জেলায় তাপমাত্রা ৩৬°C-৩৮°C এবং আর্দ্রতা ৭৫%-৮০% পর্যন্ত হতে পারে। লালা টাউনেও তাপমাত্রা ৩৫°C-৩৭°C এবং আর্দ্রতা ৭০%-৭৫% পর্যন্ত হতে পারে। এই উচ্চ আর্দ্রতায় বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
হাইলাকান্দি জেলার স্বাস্থ্যকর্মী রঞ্জিত কুমার দাস বলেছেন, “গরম ও আর্দ্র পরিবেশে তাপবিরোধী রোগ, শরীরীক্ষা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বাড়বে।” লালা বাজার এলাকার স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী প্রদীপ কুমার দাস উল্লেখ করেছেন, “আমাদের যুবকরা এই সময়ে বাইরে কাজ করবেন না। শরীরীক্ষা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ে।” এবারের তাপসংকেত হাইলাকান্দি ও লালা টাউনের যুবকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জরুরি।
স্বাস্থ্যসম্মত পরামর্শ ও সতর্কতা
আসাম গরম আর্দ্র তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই সময়ে IMD-র বিশেষজ্ঞরা কিছু স্বাস্থ্যসম্মত পরামর্শ দিয়েছেন। প্রথমত, দীর্ঘ সময় বাইরে কাজ না করা। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা। তৃতীয়ত, আলোক ও হালকা পোশাক ব্যবহার করা। IMD-র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “গরম ও আর্দ্র পরিবেশে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হতে পারে।”
IMD-র তথ্য অনুযায়ী, গরম ও আর্দ্র পরিবেশে তাপবিরোধী রোগ, শরীরীক্ষা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বাড়বে। স্বাস্থ্যকর্মীরা বলছেন, “এই সময়ে মানুষের শরীরে তাপবিরোধী রোগ, শরীরীক্ষা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বাড়বে।” তাই এই সময়ে বাইরে কাজ না করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা ও আলোক পোশাক ব্যবহার করা জরুরি।
আসামের আবহাবিভাগের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “গরম ও আর্দ্র পরিবেশে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হতে পারে।” তাই এই সময়ে বাইরে কাজ না করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা ও আলোক পোশাক ব্যবহার করা জরুরি।
ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও প্রত্যাশা
আসাম গরম আর্দ্র তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘিরে IMD-র পরবর্তী সতর্কবার্তা কী হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে আবহাবিভাগের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “গরম ও আর্দ্র পরিবেশে তাপ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হতে পারে।” তাই এই সময়ে বাইরে কাজ না করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা ও আলোক পোশাক ব্যবহার করা জরুরি।
২ জুন থেকে এই সতর্কবার্তা কার্যকর, যা বুধবার পর্যন্ত প্রযোজ্য। IMD-র তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে তাপ ও আর্দ্ৰতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তাপসংকেত জনস্বাস্থ্য ও শ্রমিকদের দৈনন্দিন কাজের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
আসামের আবহাবিভাগের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “গরম ও আর্দ্র পরিবেশে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হতে পারে।” তাই এই সময়ে বাইরে কাজ না করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা ও আলোক পোশাক ব্যবহার করা জরুরি।